Here the Most Popular WordPress Theme and Plugins Get it now.

         

Home/ Freelancing Guide/এফিলিয়েট মার্কেটি কি? আর কিভাবে শুরু করবো?

           
এফিলিয়েট মার্কেটি কি? আর কিভাবে শুরু করবো?

এফিলিয়েট মার্কেটি কি? আর কিভাবে শুরু করবো?

February 17, 2021 Admin Freelancing Guide No comments yet 187

Reading Time: 6 minutes

এফিলিয়েট মার্কেটিং সম্পর্কে জেনে নেয়া যাক ।

সহজ কথায় বলতে গেলে আপনি কারো প্রডাক্ট যখন সেল করে দিবেন বা যেকোনো প্রডাক্ট হতে পারে (ইলেকট্রনিক্স, সফটওয়ার, ফুড ইত্যাদি। আপনি যখন এই প্রডাক্ট সেল করবেন প্রতি সেলে আপনি কমিশন পাবেন ৩০% বা ১০%। পারসেন্ট এর বিষয় এক এক প্রতিষ্ঠান এর এক এক নিয়ম।

আমি কিভাবে সেল করবো?

আপনি সেল করতে পারেন ঘরে বসে। ঘরে বসে সেল করা সম্ভব? আপনি চাইলে করতে পারবেন। প্রথমত আপনার একটি ওয়েভসাইট থাকতে হবে। ওয়েভসাইট এ আপনি যখন তাদের Affiliate লিংক শেয়ার করবেন তখন তার থেকে আপনি কমিশন পাবেন। আমার ওয়েভসাইট নেই আমি কিভাবে করবো? আপনি Social media মার্কেটিং করতে পারেন। বিভিন্ন প্রডাক্ট এর Affiliate লিংক যখন Social platform এ শেয়ার করবেন তার থেকেও আপনি কমিশন পাবেন।

এফিলিয়েট মার্কেটিং কি?

এফিলিয়েট মার্কেটিং সম্পর্কে  উদাহরণ পেশ করা যাক।

ধরুন আপনার একটি বিরানির দোকান আছে যেখানে বেচা-কেনা ভালোই হয়।

আপনারই এক বন্ধু আপনার বিরানির দোকান প্রায়ই আসে এবং আপনার বিরিআনি তার খুব ভালো লাগে।

হঠাৎ আপনি চিন্তা করলেন যে আপনার বন্ধু কে বলবেন যে সে যেন তার পরিচিতজনদের আপনার শপে নিয়ে আসে ও বিরানি খেতে বলে। বিনিময়ে আপনি আপনার বন্ধুকে প্রতি পার্সন আনার জন্য একটি নির্দিষ্ট পরিমান কমিশন দেয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন।

এতে করে কি লাভ হবে?

জানুন! ফ্রীলাঞ্চিং কি?

এতে করে আপনি ও আপনার বন্ধু উভয়ই লাভবান হবেন কারণ আপনি আরও বেশি কাস্টমার পাবেন যা আপনার ব্যবসার মুনাফা বহুগুনে বাড়িয়ে দেবে আর অপর দিকে আপনার বন্ধু ও লাভবান হবেন কারণ তিনি আপনার কাছ থেকে একটি কমিশন পাচ্ছেন।

এতে করে উভয়ই লাভবান হবেন ব্যবসার মুনাফা বহুগুনে বাড়িয়ে দেবে আপনার বন্ধু ও লাভবান হবেন কারণ তিনি আপনার কাছ থেকে একটি কমিশন পাচ্ছেন

আপনার বন্ধু কে কিন্তু আপনি এমনিই তার পরিচিতজনদের আপনার বিরিয়ানির দোকান আসতে বলতে পারতেন, কিন্তু তাতে তার তেমন একটা গুরুত্ব থাকতো না।

যেহেতু আপনি প্রফিট শেয়ার করছেন, তাই সে বেশি বেশি মানুষকে আপনার দোকান এর দিকে আনার চেষ্টা করবে কারণ যত বেশি লোক সে নিয়ে আসতে পারবে, তত তার কমিশন এর পরিমান ও বাড়তে থাকবে।

আর আপনার বিরিআনির কোয়ালিটি যেহেতু ভালো, তাই তার মাদ্ধমে আসা লোকজন ও কিন্তু ঠকছে না!

এখানে এফিলিয়েট মার্কেটিং এর মাদ্ধমে ৩ শ্রেণীর মানুষের উপকার হচ্ছে।

 

প্রথম বেক্তিকে এফিলিয়েট মার্কেটিং এর ভাষায় মার্চেন্ট বলা হয় (যার প্রোডাক্ট, তাকে মার্চেন্ট বলে)।

দ্বিতীয় লাভবান আপনার বন্ধু যাকে এফিলিয়েট মার্কেটিং এর ভাষায় এফিলিয়েট মার্কেটার বলা হয় (যে প্রোডাক্ট প্রমোট করে তাকে এফিলিয়েট মার্কেটার বলে)।

তৃতীয় লাভবান হলেন আপনার বন্ধুর মাদ্ধমে আসা আপনার গ্রাহকগণ কারণ তারা একটা ভালো বিরিআনির তথা প্রোডাক্টের সন্ধান পেলো।

 

এভাবে এফিলিয়েট মার্কেটিং এর মাধ্যমে সমান ভাবে, এফিলিয়েট মার্কেটার, ও ভোক্তাদের জন্য সমানভাবে কাজে আসে।

যা বললেন সবই তো বুঝলাম, কিন্তু এফিলিয়েট মার্কেটিং কি ইন্টারন্যাশনাল্লি স্বীকৃত!

খুব ভালো কথা, আপনি জেনে অবাক হবেন যে জেফ বেজোস (শীর্ষ একমার্স সাইট আমাজানের সি, ই, ও), যিনি কিনা কিছুদিন আগে বিল গেটস কে টপকিয়ে বিশ্বের শ্রেষ্ঠ ধনি হয়েছেন, কিন্তু এফিলিয়েট মার্কেটিং কে কাজে লাগিয়েই এই পর্যায়ে এসেছেন।

তো এফিলিয়েট মার্কেটিং এর পাওয়ার বুঝতেই পারছেন।

স্মার্টওয়েতে Affiliate মার্কেটিং যেভাবে শুরু করবেন?

আপনি আপনার বিভিন্ন সোসিআল সাইট এ প্রোফাইল তৈরি করুন। প্রতিনিয়ত আপনি আপনার আপনার এফিলিয়েট লিংক শেয়ার করুন। আপনাকে এটি মাথায় রাখতে হবে আপনাকে একটানা ২-মাস শুধু লিংক শেয়ার করে যেতে হবে। আপনি যত বেশি লিংক শেয়ার করবেন আপনার ইনাকম বৃদ্ধি হওয়ার চান্জ তত বেশি। হয়তো ঘুম থেকে উঠে দেখবেন আপনার একাউন্ট ডলার জমে রয়েছে। এটাই হচ্ছে পেসিভ ইনকাম।

কোন ডিভাইস ভালো Affiliate মার্কেটিং এর জন্য?

আপনি মোবাইল অথবা ডেস্কটপ দিয়ে শুরু করতে পারেন। যখন আপনার একটিব ফলোয়ার থাকবে ১০-২০ হাজার তাদের মাধ্যমে আপনি টাকা ইনকাম করতে পারবেন। আপনি কোন এফিলিয়েট ওয়েভাসাইট এ জয়েন করলে তারা আপনার ওয়েভসাইট এর লিংক চাবে। আপনি তখন আপনার ইউটিউব এর লিংক দিতে পারেন তবে সব এফিলিয়েট কম্পানি আবার ইউটিউব পছন্দ করবে না। ফ্রীতে যেভাবে ওয়েভসাইট খুলবেন জেনে নিন?

যখন আপনার একটি নিজিস্ব ওয়েভসাইট থাকবে তখন আপনার ইনকাম শুরু হবে। 

নিচে কিছু এফিলিয়েট মার্কেটিং করার সাইট এর বর্ননা করা হলো: 

অ্যামাজন.কম (Amazon.com): 

অ্যামাজন একটি অনলাইন ভিত্তিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। এখান থেকে প্রতি মাসে মানুষ এফিলিয়েট মাকেটিং করে লাখ লাখ টাকা ইনকাম করছে। আপনিও শুরু করতে পারেন আজ থেকেই। আপনার কাজ হলো তাদের ওয়েব সাইটে গিয়ে এফিলিয়েট মার্কেটিং করার জন্য একটি একাউন্ট খুলতে হবে । তার পর সেখান থেকে পন্যের এফিলিয়েট লিংক কপি করে সেগুলো প্রচার করতে হবে। আপনার তৈরি করা এফিলিয়েট লিংক এ ক্লিক করে তাদের ওয়েব সাইটে গিয়ে ৩০ দিনের ভিতর যদি কোনো পন্য কিনে তাহলেই পেয়ে যাবেন নির্দিষ্ট পরিমান এফিলিয়েট কমিশন। 

ক্লিকব্যাংক.কম (clickbank.com): 

ক্লিকব্যাংক আর একটি অনলাইন ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান। এরাও আপনাকে এফিলিয়েট মার্কেটিং করার জন্য অফার করে। তাদের পন্য ২০ বছর ধরে এফিলিয়েট মার্কেটিং করে আসছে মানুষ এবং তারা প্রায় ৪.২ বিলিয়ন আমেরিকান ডলার ইনকাম করেছে। তাদের ওয়েব স্টোরে অনেক রকম পন্য রয়েছে যেমন ইলেকট্রিক, গেমস, সফটওয়্যার ইত্যাদি অনেক পন্য রয়েছে এফিলিয়েট মার্কেটিং করার জন্য। 

এই রকম আরও অনেক ওয়েব সাইট রয়েছে যেখানকার পন্যের আপনি এফিলিয়েট মার্কেটিং করতে পারবেন। তাদের মধ্যে রয়েছে BDSHOP.COM   Remaxbangladesh.com  Daraz.com ইত্যাদি এমন বাংলাদেশী ওয়েব সাইট ও রয়েছে যেখান থেকে আপনি এফিলিয়েট মার্কেটিং করতে পারবেন। 

এফিলিয়েট মার্কেটিং করে কত টাকা ইনকাম করতে পারবো? 

এফিলিয়েট মার্কেটিং এ কত টাকা ইনকাম করতে পারবো তার কোনো সীমা নেই। আপনি যত বেশি বিক্রি করতে পারবেন তত বেশি ইনকাম করতে পারবেন। এখানে কোনো ধরা বান্দা নিয়ম বা সীমাবদ্ধতা নেই যে আপনি এর বেশি ইনকাম করতে পারবেন না। কিন্তু একটা পরিসংখ্যানে দেখা গেছে যে, যারা ইনকাম করতে শুরু করেছে নতুন তারা প্রতিদিন ৩০০ ডলার এর মতো ইনকাম করে থাকে। তারপর যারা তার উপরে বা মিডিয়াম লেবেল এ আছে তারা প্রতিদিন প্রায় ৩০০ ডলার থেকে ৩,০০০ হাজার ডলার ইনকাম করে থাকে। এর পর উচ্চ লেবেলে যারা রয়েছে তারা দিনে প্রায় ৩,০০০ হাজার ডলার এরও বেশি ডলার ইনকাম করে থাকে। এরপর রয়েছে যারা প্রতিদিন প্রায় ১০,০০০ ডলার ইনকাম করে থাকে। তাদের বলা হয়ে থাকেএফিলিয়েটের গুরু জানুনঃ মার্কেট প্লেস থেকে যেভাবে টাকা উত্তোলন করবেন?

Google AdSense দিয়ে যেভাবে ইনকাম Google করবেন 

গোগল এডসেন্স কিভাবে কাজ করে? গোগল নিজেই এডভারসাইস কম্পানি তারা এরকম প্লাটফর্ম তৈরি করেছে যেখানে যারা বিজ্ঞাপন দিতে চায় তারা রেজিস্ট্রেশন করে এবং তাদের কম্পানির প্রচার জন্য তারা বিভিন্ন সাইজ এর এডড তৈরি করে এবং প্রধান করে 

গোগল এই এড গুলো বিভিন্ন ওয়েবসাইট গোগল প্রদশর্ন করে থাকে কাদের ওয়েভসাইট এডসেন্স বিজ্ঞপন প্রদশর্ন করায় গোগল? যারা Google Adsense এর জন্য এপলাই করে তাদের ওয়েবসাইট প্রোভ করা হলে আপনি নিজেই বিভিন্ন এড স্লট বসাতে পারবেন 

শুধু ওয়েভসাইট খুললেই ইনকাম হবে না আমি পূর্বেই বলেছি আপনাকে সোসিআল মিডিয়া মার্কেটিং করতে হবে।  আপনাকে ট্রাফিক নিয়ে আসতে হবে।  সেই ট্যাফ্রিক দিয়ে আপনি সেল জেনারেট করতে পারবেন যেভাবে ট্রাফিক নিয়ে আসবেন ওয়েভসাইট 

আপনি ইচ্ছা করলে এমাজন এফিলিয়েট মার্কেটিং কিভাবে বর্তমানে মার্কেট প্লেস এ কাজ পেতে পারেন জেনে নিন এছাড়া এখ বাংলদেশে বিভিন্ন হোস্টিং কম্পানি এফিলিয়েট আর্নিং এর সুবিধা দিয়ে অথবা ইকমার্স ওয়েভসাইট।  আপনি ইচ্ছা করলে এটি International উপায়ে করতে পারবেনতাদের বিভিন্ন এফিলিয়েট প্রোগাম আপনি জয়েন করবেন এব সেই লিংক গুলো শেয়ার করতে পারবেন 

এফিলিয়েট মার্কেটিং এর সাথে জড়িত ৪ শ্রেণি 

উপরের উদাহরণটিতে আপনি দেখতে পেয়েছেন যে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের ক্ষেত্রে কয়েকটি শ্রেণি কাজ করে। এখন আমরা এ বিষয়ে একটি বিস্তারিত আলোচনা করব। 

ওই যে বিরিআনির মালিক যিনি কমিশনের ঘোষণা দিয়েছিলেন তিনি হলেন মার্চেন্ট (merchant) বা রিটেইলার (retailar) তাহলে আমরা এক কথায় খুব সোজা ভাষায় বলতে পারি যে যার প্রোডাক্ট তাকে মার্চেন্ট বা রিটেইলার বলে। মার্চেন্টকে ব্র্যান্ড (brand) ও বলা যায়। 

যে ১০০ জন ওই িরিআনির শপে নতুন নতুন কাস্টমার নিয়ে এসেছিল তাদেরকে অ্যাফিলিয়েট বলা যায়। তাহলে মার্চেন্ট এর প্রোডাক্ট যারা কমিশনের আশায় প্রমোট করছে তাদেরকে বলা হচ্ছে অ্যাফিলিয়েট (affiliate) বা অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার। 

এখন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং যেহেতু অনলাইনেই করা হয়ে থাকে তাই অধিকাংশ অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার তাদের নিজস্ব ওয়েবসাইটে এফিলিয়েট লিংক ব্যবহার করে থাকেন আর এজন্য তাদেরকে পাবলিশার (publisher) বলেও ডাকা হয়। 

আর কাস্টমার কারা তাতো বুঝতেই পেরেছেন। অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার যাদেরকে মার্র্চেন্ট এর প্রোডাক্ট এর প্রতি আগ্রহী করে সেল নিয়ে আসে তাদেরকেই কাস্টমার (customer) বলা হয়ে থাকে। 

এই তো গেল অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর সাথে জড়িত ৩ শ্রেণী। এখন আরও একটি শ্রেণী নিয়ে আমরা আলোচনা করতে পারি যার নাম হলো নেটওয়ার্ক (network) বা এফিলিয়েট নেটওয়ার্ক। 

এরা কারা? হ্যাঁ, অ্যাফিলিয়েট নেটওয়ার্ক হল তারা যারা বিভিন্ন মার্চেন্টের অ্যাফিলিয়েট অফারসমূহ বিভিন্ন এফিলিয়েট মার্কেটারের কাছে প্রকাশ করে যেমন আমরা বলতে পারি কমিশন জংশন, ক্লিকব্যাংক, রাকুটেন মার্কেটিং ইত্যাদি হল বিভিন্ন নেটওয়ার্ক। অনেক সময় মার্চেন্ট নিজে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর ঝামেলা সমূহ এড়ানোর জন্য এরকম অনেক নেটওয়ার্ক এর সাথে যুক্ত হন ফলে তারা খুব সহজেই এফিলিয়েট মার্কেটিং প্রোগ্রামটি চালাতে পারেন। 

সিঙ্গেল টায়ার (Single-Tier) 

সিঙ্গেল টায়ার এফিলিয়েট মার্কেটিং এ মার্চেন্ট তার এফিলিয়েটকে প্রতিটি সেলের জন্য মাত্র একবারই কমিশন দেয়। যেমন গ্রামারলি আমাকে প্রতিটি সেল করতে পারলে ২০ ডলার দেয় আর এটি হল সিঙ্গেল টায়ার। 

টু টায়ার (Two-Tier) বা মাল্টি টায়ার (Multi-Tier) 

এ ধরনের মডেলে একজন এফিলিয়েট তার মাধ্যমে আনা গ্রাহকদের প্রত্যেকের সেল থেকেও কমিশন পান। ধরেন ক একজন এফিলিয়েট যিনি খ ও গ কে কোন এক মার্চেন্টের প্রোগ্রামে যুক্ত করল। 

এখন খ ও গ এর প্রতিটি সেলেও ক একটি কমিশন পেতে থাকবেন। এই মডেলটা অনেকটাই এম এল এম (MML) সিস্টেমের মত হলেও মার্চেন্টের মানসম্মত প্রোডাক্ট থাকার ফলে এখানে কোন প্রতারণা নেই। 

এফিলিয়েট মার্কেটিং এর ভবিষ্যৎ 

আজকে আমরা জানলাম এফিলিয়েট মার্কেটিং কি আর কিভাবে এফিলিয়েট মার্কেটিং করে টাকা আয় করবেনবন্ধুরা আজকের সময়ে এফিলিয়েট মার্কেটিং খুবই বড় online source হয়ে গেছে পয়সা ইনকাম করার জন্য এমনকি যে সমস্ত E-commerce Sites লঞ্চ হচ্ছে তারা প্রথম থেকেই Affiliate Program নিয়ে আসছেন কারণ প্রত্যেকটি নতুন কোম্পানি তাদের পরিচয় বানানোর জন্য প্রমোশনের সাহারা নিয়ে থাকেন 

এই জন্য এই সময়টি একদম সঠিক এফিলিয়েট মার্কেটিং করার জন্য যদি আপনি এফিলিয়েট মার্কেটিং না করে থাকেন আর যদি আপনার ব্লগ brand হয়ে গিয়ে থাকে তাহলে বড় বড় কোম্পানি আপনার সঙ্গে সম্পর্ক করে প্রমোশনের জন্য সিটি হোস্টিং কোম্পানি হোক অথবা e-commerce 

এর থেকে আপনারা বুঝতে পারছেন ভবিষ্যতে এই প্রোগ্রাম কত দ্রুত বেড়ে চলেছে এমনকি পৃথিবীর সাথে সাথে ভারতের অনেক ব্লগার গুগোল অ্যাডসেন্সে এত টাকা ইনকাম করতে পারেন না যতটা অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম থেকে ইনকাম করেন এই জন্য ভবিষ্যতে দেখা গেলে এফিলিয়েট মার্কেটিং একটি অনেক বড় source হয়ে গেছে আর ভবিষ্যতেও হতে চলেছে .

Related Posts

2020's Best Website Design Themes In the Marketplace

2020’s Best Website Design Themes In the Marketplace

Looking for the best website template to build a beautiful website for your business? These...

21 Reasons For Why Need To Create a Website – Why should I Have a Website?

21 Reasons For Why Need To Create a Website – Why should I Have a Website?

Why should a business have a website? Today, there is at least one computer in...

Highly Customizable Theme and Template

Highly Customizable Theme and Template

Bridge - Creative Multipurpose WordPress Theme BRIDGE is a responsive retina multi-purpose WordPress theme, suitable...

বর্তমানে মার্কেটপ্রেল্স এ কাজ কিভাবে পেতে পারি?

বর্তমানে মার্কেটপ্রেল্স এ কাজ কিভাবে পেতে পারি?

মার্কেটপ্রেল্স এর এখন প্রতিযোগিতা বেশি। কাজ পাওয়ার সিক্রেট টিপস আরটিকেল এর শেষে বলবো। আরটিকেল কেমন...

fiverr gig optimization

ফাইবার এ গিগ কিভাবে খুলবেন? কিভাবে SEO friendly GIG করবেন?

বর্তমানে প্রতিযোগিতা অনেক বেশি হওয়ায় আপনাকে অবশ্যই কিছু পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে। আপনি আজকে আপনাদের...

35+ Attractive Corporate Landing Page Template / responsive landing page

35+ Attractive Corporate landing page templates

35+ Attractive Corporate landing page templates landing page templates are one of the best powerful...

Also You Can comment here without any account. Your email address will not be published. Required fields are marked.

Disclosure:This page contains external affiliate links that may result in us receiving a commission if you choose to purchase mentioned product. The opinions on this page are our own and we do not receive additional bonus for positive reviews.

Md HridoyFrontend and backend web developer and web designer specialized in WordPress theme development and customization. I have knowledge almost 5 year in WordPress Theme Customization/WordPress theme Development/ CSS/HTML5/Bootstrap/javascript/jquery/PHP etc. Obsessed with application performance, user experience and simplicity.